
জিয়াউল ইসলাম জিয়া বিশেষ প্রতিনিধি :
আশাশুনিতে এক বিধবা নারীর ব্যক্তিগত গোপন মুহূর্তের ভিডিও গোপন ক্যামেরায় ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল ও অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জুলফিকার সরদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তিনি উপজেলার গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের সিদ্দিক সরদারের ছেলে। ভুক্তভোগী নারী মোছা. রোজিনা খাতুন বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে আশাশুনি থানায় স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে একটি এজাহার দাখিল করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি আশাশুনি থানার জামালনগর গ্রামের মৃত জিএম বেলাল হোসেনের স্ত্রী। দুই সন্তান নিয়ে জীবিকার তাগিদে সেলাই কাজ করে কোনো রকমে সংসার চালান তিনি। দীর্ঘদিন ধরে জুলফিকার সরদার তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বাড়িতে প্রবেশ করে কৌশলে গোসলখানায় গোপন ক্যামেরা স্থাপন করেন এবং ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। পরবর্তীতে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করার চেষ্টা চালানো হয়। এজাহারে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিয়মিতভাবে ভুক্তভোগীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন এবং ভিডিও ভাইরাল করে সামাজিকভাবে হেয় করার ভয় দেখাতেন। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া ওই নারী নিরুপায় হয়ে পড়েন। ভুক্তভোগী নারী অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, দ্রুত বিচার না পেলে তিনি সন্তানদের নিয়ে আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হতে পারেন। তিনি সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার ও আশাশুনি থানার ওসির কাছে দ্রুত তদন্তপূর্বক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি গোপন ভিডিও উদ্ধার ও তা সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলার অনুরোধ জানান। এ বিষয়ে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামীম আহমদ খান বলেন, “আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আপনার মতামত লিখুন :