
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মথেরেশপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিমের বিরুদ্ধে। ইউপি সদস্য ও স্থানীয়দের দাবি, ব্যক্তিগত স্বার্থে সরকারি অর্থ ব্যবহার করে রাস্তা নির্মাণ, পুকুর খনন প্রকল্পের অনিয়ম এবং নিম্নমানের কাজের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা লুটপাট করা হয়েছে। তদন্ত পূর্বক জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী।
রবিবার (১০ মে) সকাল ১০ টার সময়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিজদেবপুর গ্রামের সাইদুল ঢালীর বাড়ি থেকে হাবিব ঢালীর বাড়ি পর্যন্ত প্রায় এক লক্ষ টাকা ব্যয়ে ইট সোলিং রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে, মূলত চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিমের ভায়রা ভাইয়ের ব্যক্তিগত চলাচলের পথ। অথচ ব্যাক্তির রাস্তা হলেও সরকারি রাস্তা হিসেবে দেখিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
এছাড়া সরকারি বরাদ্দের ৭ টন চালের বিনিময়ে পুকুর খনন প্রকল্পেও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এলাকাবাসীর সুপেয় পানির সংকট নিরসনে পুকুর খনন করা হলেও বর্তমানে চারদিকে দেয়াল নির্মাণ করে তা ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে। ফলে প্রায় ৩৫টি সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবার, জেলে সম্প্রদায়সহ হাজারো মানুষ সুপেয় পানি ব্যবহার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে নিজদেবপুর পূর্বপাড়া এলাকায় হালিম সরদারের বাড়ি থেকে মোল্লাবাড়ি মসজিদ পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার রাস্তা নির্মাণ কাজেও রয়েছে অনিয়মের অভিযোগ।
স্থানীয়রা জানান, রাস্তার পাশে মাটি ভরাট বাবদ বরাদ্দকৃত প্রায় ৩০ হাজার টাকার সবই আত্মসাৎ করা হয়েছে। নিত্যানন্দপুর এলাকায় নওশাদ গাজীর বাড়ি থেকে জুব্বারের বাড়ি পর্যন্ত ইটের সোলিং রাস্তা নির্মাণেও সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
কালিগঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ নলতা ঘোষ ডেয়ারি পরিবারের
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মথেরেশপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিমের বিরুদ্ধে। ইউপি সদস্য ও স্থানীয়দের দাবি, ব্যক্তিগত স্বার্থে সরকারি অর্থ ব্যবহার করে রাস্তা নির্মাণ, পুকুর খনন প্রকল্পের অনিয়ম এবং নিম্নমানের কাজের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা লুটপাট করা হয়েছে। তদন্ত পূর্বক জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী।
রবিবার (১০ মে) সকাল ১০ টার সময়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিজদেবপুর গ্রামের সাইদুল ঢালীর বাড়ি থেকে হাবিব ঢালীর বাড়ি পর্যন্ত প্রায় এক লক্ষ টাকা ব্যয়ে ইট সোলিং রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে, মূলত চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিমের ভায়রা ভাইয়ের ব্যক্তিগত চলাচলের পথ। অথচ ব্যাক্তির রাস্তা হলেও সরকারি রাস্তা হিসেবে দেখিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
এছাড়া সরকারি বরাদ্দের ৭ টন চালের বিনিময়ে পুকুর খনন প্রকল্পেও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এলাকাবাসীর সুপেয় পানির সংকট নিরসনে পুকুর খনন করা হলেও বর্তমানে চারদিকে দেয়াল নির্মাণ করে তা ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে। ফলে প্রায় ৩৫টি সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবার, জেলে সম্প্রদায়সহ হাজারো মানুষ সুপেয় পানি ব্যবহার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে নিজদেবপুর পূর্বপাড়া এলাকায় হালিম সরদারের বাড়ি থেকে মোল্লাবাড়ি মসজিদ পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার রাস্তা নির্মাণ কাজেও রয়েছে অনিয়মের অভিযোগ।
স্থানীয়রা জানান, রাস্তার পাশে মাটি ভরাট বাবদ বরাদ্দকৃত প্রায় ৩০ হাজার টাকার সবই আত্মসাৎ করা হয়েছে। নিত্যানন্দপুর এলাকায় নওশাদ গাজীর বাড়ি থেকে জুব্বারের বাড়ি পর্যন্ত ইটের সোলিং রাস্তা নির্মাণেও সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
কালিগঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ নলতা ঘোষ ডেয়ারি পরিবারের
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের নলতা এলাকায় অবস্থিত নলতার ঘোষ ডেয়ারি মিষ্টির কারখানায় গভীর রাতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও জবরদখলের অভিযোগে থানায় মামলা না নেওয়া ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১০ মে-২৬) দুপুরে কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন রাজেশ কুমার ঘোষ।
তিনি বলেন- কালিগঞ্জের নলতায় অবস্থিত আদি ঘোষ ডেয়ারির কারখানায় গভীর রাতে খোকন আমিনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ভাংচুর, লুটপাট করে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতিসাধন করেছে। ঘটনার পর থানায় অভিযোগ দিতে গেলেও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুয়েল হোসেন অভিযোগ গ্রহণে গড়িমসি করছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, শনিবার (৯ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে আহছানিয়া রেসিডেন্সিয়াল ডিগ্রি কলেজ মাঠের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত ঘোষ ডেয়ারি কারখানায় একদল লোক অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় কারখানায় থাকা অসিত কুমার, রাজেশ কুমার ও রাকেশ কুমারকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়। পরে কারখানায় তালা ঝুলিয়ে দিয়ে ভেতরে থাকা শ্রমিক ও কর্মচারীদের জিম্মি করে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলাকারীরা কারখানার মূল্যবান যন্ত্রপাতি, প্রায় ১৭৫ বস্তা চিনি এবং ২ থেকে ৩ ড্রাম সয়াবিন তেলসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল নিয়ে যায়। এতে আনুমানিক অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় একই এলাকার খোকন আমিন ওরফে মাহফুজুল ইসলামের বিরুদ্ধে কারখানা ও জমি দখলের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত পক্ষ পাল্টা দাবি করে জানিয়েছে, তারাই হামলা ও জবরদখলের শিকার হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলেও জানা গেছে। আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় এ ধরনের হামলা, ভাঙচুর ও দখলচেষ্টার ঘটনায় উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা ভুগছে রাজেশ এর পরিবারসহ সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগের বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুয়েল হোসেন বলেন, ঘটনার পর থানা পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে অভিযোগের সাথে সুনির্দিষ্ট তদন্তসংক্রান্ত যথাযথ তথ্য না থাকায় মামলা গ্রহণ করা হয়নি।
কালিগঞ্জে সাজিদা হত্যার আসামি বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
জিয়াউল ইসলাম জিয়া বিশেষ প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়নের চন্ডীতলা গ্রামে গৃহবধূ সাজিদা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামিদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের ভাই আব্দুল খালেকসহ স্বজনরা। রবিবার (১০ মে-২৬) বেলা সাড়ে ১২টায় কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
নিহতের ভাই উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের কেরামত আলী মোল্লার ছেলে আব্দুল খালেক লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, তার বোন সাজিদা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচ জনকে অভিযুক্ত করা হলেও পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে তা কর্তন করে মাত্র দুই জনকে আসামি করা হয়েছে। ফলে প্রকৃত অপরাধীরা আড়ালে থেকে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জুয়েল হোসেন অনেকটা তড়িঘড়ি করে আরেকটি এজাহারে আমাকে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। যা আমার দাখিল করা অভিযোগের সাথে মিল নেই। ওসি’র পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত বাঁধাগ্রস্ত হতে পারে।
এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বাদ পড়া আসামিদের মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা এবং প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে নিহত পরিবারের সদস্যসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। নলতা এলাকায় অবস্থিত নলতার ঘোষ ডেয়ারি মিষ্টির কারখানায় গভীর রাতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও জবরদখলের অভিযোগে থানায় মামলা না নেওয়া ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১০ মে-২৬) দুপুরে কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন রাজেশ কুমার ঘোষ।
তিনি বলেন- কালিগঞ্জের নলতায় অবস্থিত আদি ঘোষ ডেয়ারির কারখানায় গভীর রাতে খোকন আমিনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ভাংচুর, লুটপাট করে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতিসাধন করেছে। ঘটনার পর থানায় অভিযোগ দিতে গেলেও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুয়েল হোসেন অভিযোগ গ্রহণে গড়িমসি করছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, শনিবার (৯ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে আহছানিয়া রেসিডেন্সিয়াল ডিগ্রি কলেজ মাঠের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত ঘোষ ডেয়ারি কারখানায় একদল লোক অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় কারখানায় থাকা অসিত কুমার, রাজেশ কুমার ও রাকেশ কুমারকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়। পরে কারখানায় তালা ঝুলিয়ে দিয়ে ভেতরে থাকা শ্রমিক ও কর্মচারীদের জিম্মি করে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলাকারীরা কারখানার মূল্যবান যন্ত্রপাতি, প্রায় ১৭৫ বস্তা চিনি এবং ২ থেকে ৩ ড্রাম সয়াবিন তেলসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল নিয়ে যায়। এতে আনুমানিক অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় একই এলাকার খোকন আমিন ওরফে মাহফুজুল ইসলামের বিরুদ্ধে কারখানা ও জমি দখলের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত পক্ষ পাল্টা দাবি করে জানিয়েছে, তারাই হামলা ও জবরদখলের শিকার হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলেও জানা গেছে। আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় এ ধরনের হামলা, ভাঙচুর ও দখলচেষ্টার ঘটনায় উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা ভুগছে রাজেশ এর পরিবারসহ সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগের বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুয়েল হোসেন বলেন, ঘটনার পর থানা পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে অভিযোগের সাথে সুনির্দিষ্ট তদন্তসংক্রান্ত যথাযথ তথ্য না থাকায় মামলা গ্রহণ করা হয়নি।
আপনার মতামত লিখুন :