
মিলন হোসেন বেনাপোল,
যশোরের বেনাপোল চেকপোস্টে প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে অবস্থিত সোনালী ব্যাংকে কর্মরত কর্মকর্তারা প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল চার্জ নেওয়ার সময় অতিরিক্ত ১০ টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।অতিরিক্ত টাকা চলে যাচ্ছে কর্মকর্তা কর্মচারীদের পকেটে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বন্দর ব্যবহার করে পাসপোর্টযাত্রীরা বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার সময় সোনালী ব্যাংক থেকে প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল চার্জ পরিশোধ করে একটি স্লিপ নিতে। স্লিপে দেখা যায় রেট দেওয়া আছে ৬০,১১ পয়সা সেখানে প্রতিটি পাসপোর্টযাত্রীর কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা।
গতকাল ২২ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাসপোর্টযাত্রী গেছে ৯৫৪ জন।যদি ১০ টাকা করে বেশি নেওয়া হয় তাহলে অতিরিক্ত নেওয়া হয়েছে প্রায় ১০ হাজার টাকা। যা প্রতি মাসে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা। বছরে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে।টাকা গুলো চলে যাচ্ছে সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীদের পকেটে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সোনালী ব্যাংকের একজন কর্মচারী বলেন ৫/১০ টাকা যেটা বেশি নেওয়া হয়। সেই টাকাটা সপ্তাহে ভাগ বাটোয়ারা করে নেওয়া হয়। কম বেশি সবাই পেয়ে থাকে।সিনিয়ররা একটু বেশি পেয়ে থাকে।
ফরিদপুর থেকে আসা পাসপোর্টযাত্রী আলিম উদ্দিন বলেন ফ্যামিলি নিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় ৩টা পাসপোর্টে ভ্রমণ কর ও বন্দর ট্যাক্স বাবদ চেকপোস্ট সোনালী ব্যাংক শাখায় ৩২০০ টাকা নিয়েছে।মোল্লারহাট থেকে আসা রমেশচন্দ্র পাল তিনিও বলে দুইজনে ২১৪০ টাকা দিয়েছেন।
ভুক্তভোগীদের কাজ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার ব্যাপারে সোনালী ব্যাংকের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।
এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংক বেনাপোল শাখার এজিএম জহির রায়হান এর সাথে যোগাযোগ করে তার অধীনস্থ চেকপোস্ট শাখায় পাসপোর্টযাত্রীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে জিজ্ঞাসা করলে তার কথায় মনে হয় তার অফিসাররা ধোয়া তুলসীর পাতা।
আপনার মতামত লিখুন :