
জিয়াউল ইসলাম জিয়া বিশেষ প্রতিনিধি : কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নে অবৈধভাবে সরকারি গাছ কেটে আত্মসাতের অপচেষ্টা চালিয়েছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। জয়নগর দক্ষিণপায়া ঈদগাহের সামনের সড়ক সংলগ্ন বনবিভাগের জমি থেকে বড় আকারের নয়টি শিলকড়ই গাছ কেটে ফেলার প্রক্রিযয়া শুরু হলেও এলাকাবাসীর জোরালো প্রতিবাদের মুখে তা পণ্ড হয়ে গেছে। তবে প্রতিবাদের আগেই দুটি গাছ কেটে সটকে পড়ে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, সড়কের পাশের ওই জমিতে মার্কেট নির্মাণের পরিকল্পনা করেন বারিক গাইন নামের এক ব্যক্তি। তবে সরকারি গাছগুলো অপসারণের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তীতে গাছের অপসারণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় মাওলানা জাহাঙ্গীর আলমের সহায়তা নেন তিনি। গত ৩১ জুলাই (শুক্রবার) সকালে সব ধরনের প্রশাসনিক নিয়মকানুন তোয়াক্কা না করে একদল লোক নিয়ে সম্পূর্ণ গায়ের জোরে গাছ কাটা শুরু করেন জাহাঙ্গীর আলম। মোশাররফ হোসেন নামের এক কাঠ ব্যবসায়ীর কাছে গাছগুলো বিক্রি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। শুক্রবার ইউএনওর নির্দেশে জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হাবিবুর রহমান গাছ কাটা বন্ধ করার নির্দেশ দেন। পরে উপজেলা পরিষদের সার্ভেয়ার সরজমিনে জমি মেপে নিশ্চিত করেন গাছগুলো সরকারি সম্পদ। গাছ সুরক্ষায় কলারোয়া উপজেলা বনবিভাগকে দায়িত্ব দেওয়ার পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেয় উপজেলা প্রশাসন। ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ এবং স্থানীয় বাসিন্দা আবদুর রহিম শামীম ও আলমগীর হোসেন জানান, জমিটির মূল মালিক মরহুম মোকছেদ আলী খানের ছেলে আবদুল লতিফ খান। কিন্তু লতিফ সরদার নামের অন্য এক ব্যক্তি নামের আংশিক মিলকে কাজে লাগিয়ে ভুয়া মালিকানা দাবি করছেন। তিনি বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সরকারি সম্পদ আত্মসাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি সম্পদ বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :