
জিয়াউল ইসলাম জিয়া বিশেষ প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার গাভা এলাকা থেকে ৭ হাজার লিটার পেট্রোলসহ একটি ট্র্যাংক লরি জব্দ করা হয়েছে। এ সময় লরির চালক ও ব্যবসায়ীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য ১৪ ঘণ্টা পর থানায় প্রস্তুতি চলছে।
এর আগে সোমবার গভীর রাতে সদর উপজেলার গাভা এলাকা থেকে পেট্রোল ভর্তি লরি জব্দ করা হয় এবং এর চালক রিপন শেখকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন: খুলনার খালিশপুর এলাকার ইসমাইল শেখের ছেলে ও ট্র্যাংক লরির চালক রিপন শেখ, সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার বহেরা বাজারের ভাই ভাই স্টোরের মালিক শফিকুল ইসলাম, কুলিয়া বাজারের আলেয়া ওয়েল সাপ্লাইয়ের মালিক ইউনুস আলী, আশাশুনি উপজেলার বদরতলা বাজারের সাদিয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক ইউসুফ আলী।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান জানান, গত রোববার বিকেলে খুলনা থেকে ৭ হাজার লিটার পেট্রোল নিয়ে যমুনা অয়েল কোম্পানির জ্বালানি তেলবাহী কাশিয়ানী ফিলিং স্টেশনের একটি লরি সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার একটি তেল পাম্পে সরবরাহের জন্য রওনা হয়। তবে রাতের সময় গাভা এলাকায় স্থানীয়রা লরিটিকে আটকে পুলিশকে খবর দেয় এবং ৯৯৯ কল করেন। পুলিশ তাৎক্ষণিক লরিটি জব্দ করে এবং চালককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
পরে লরির বৈধ কাগজপত্র দেখাতে চাইলে চালক তা দেখাতে ব্যর্থ হন। এরপর চালকের মাধ্যমে তিন ব্যবসায়ীকে কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য থানায় ডাকা হয়।
সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বদরুদ্দোজা ও জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের অন্যান্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে পর্যালোচনার পর, অপরাধটি বৃহৎ হওয়ায় মোবাইল কোর্টের আওতায় না আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং নিয়মিত মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ পর্যন্ত থানায় মামলা করা হয়নি। লরি ও আসামীরা সদর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ওসি।
এদিকে সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল এলাকায় অবৈধভাবে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল মজুদ ও বিক্রির অপরাধে আনেোয়ার হোসেন খোকনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানটি পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সাইফুল ইসলামসহ সঙ্গীয় ফোর্স।
আপনার মতামত লিখুন :