শারদীয় দূর্গাপূজায় যশোর সীমান্ত এলাকাসহ যশোর শহরের বিভিন্ন পূজা মন্ডপে বিজিবির কঠোর নিরাপত্তা।


Milon Hossain প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১৫, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ন / ০
শারদীয় দূর্গাপূজায় যশোর সীমান্ত এলাকাসহ যশোর শহরের বিভিন্ন পূজা মন্ডপে বিজিবির কঠোর নিরাপত্তা।

মিলন হোসেন বেনাপোল প্রতিনিধি,
আসন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপন নিশ্চিত করতে যশোর জেলার সীমান্ত এলাকাসহ যশোর শহরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
৪৯ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্তের ০৮ কিঃ মিঃ এর মধ্যে ২৯টি এবং যশোর শহরে ২০টি পুজামন্ডপে এ বছর দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজামন্ডপগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সদস্যরা ইতিমধ্যে দিন-রাত টহল, রেকি এবং মোবাইল পেট্রোল কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
এছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকায় সম্ভাব্য চোরাচালান, নাশকতা ও দুস্কৃতিকারীদের যেকোনো তৎপরতা রোধে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি পূজামন্ডপে দায়িত্বপ্রাপ্ত পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় করা হচ্ছে। এছাড়া ৪৯ বিজিবি কর্তৃক স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও আনসারের সাথে সমন্বয় করে পূজা শুরুর আগে থেকেই পূজা মন্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একযোগে কাজ করছে।

বিজিবি‘র দক্ষিণ পশ্চিম রিজিয়ন, যশোর এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ২২২টি পুজা মন্ডপে ২০০০ বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। মোতায়েনকৃত বিজিবি সর্বমোট ৫২টি অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প থেকে এসকল পুজা মন্ডপে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়াও সর্বোচ্চ নিরাপত্তার জন্য বিজিবির এপিসি প্লাটুন ও বিশেষায়িত K-9 ডগ স্কোয়াড মোতায়েন থাকবে।

এ ব্যাপারে যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি জানান,পূজামন্ডপ এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

পূজামন্ডপ কমিটির নেতাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত মতবিনিময় ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। কোনো দুস্কৃতিকারী যেন উৎসবের পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে আগে থেকেই বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া যেকোন প্রয়োজনে তাৎক্ষনিক সহযোগিতা প্রদান করার জন্য যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর ব্যাটালিয়ন সদরে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। আসন্ন পূজাকে সামনে রেখে সীমান্তবর্তী বিওপি সমূহে জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে।