
কাজী ওমর মোংলা ,মোংলা
অন্যান্য সময়ের মতো কেবল ঘরোয়া আলোচনা সভা বা মঞ্চের আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না রেখে, ভিন্নধর্মী এক মানবিক উদ্যোগে মোংলায় পালিত হয়েছে বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী।
প্রথম দিন জেলা পর্যায়ের মূল কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকার পর, দ্বিতীয় দিনে মোংলা পোর্ট পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী এক পন্থা অবলম্বন করেন। কোনো আনুষ্ঠানিক মঞ্চ না করে, দলীয় নেতাকর্মীরা ভ্যানে খাবার ও কাপড় নিয়ে দিনভর শহরের অলিগলি ও প্রত্যন্ত এলাকায় ঘুরে ঘুরে প্রায় দেড় হাজার অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের হাতে তা তুলে দেন।
রবিবার সকালে দলীয় কার্যালয়ে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল শেষে শুরু হয় এই কার্যক্রম। পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মোঃ জুলফিকার আলীর নেতৃত্বে ভ্যানে চড়ে দলটির স্থানীয় শীর্ষ নেতারা সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছান।
কর্মসূচি চলাকালে এক পথসভায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক বলেন, “এই ব্যতিক্রমী আয়োজনটি মূলত মোংলা পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে করা হলেও, এর মূল পরিকল্পনা ও সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতা করছেন আমাদের সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী। তার একক উদ্যোগ, দিকনির্দেশনা ও অর্থায়নেই আজ আমরা সাধারণ মানুষের এত কাছাকাছি পৌঁছাতে পেরেছি।”
পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক মেয়র মোঃ জুলফিকার আলী বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আজীবন সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি করেছেন। তার মৃত্যুর পর ভাঙা সুটকেসে কেবল কুরআন শরীফ, তসবিহ আর জায়নামাজ ছাড়া কোনো ব্যাংক ব্যালান্স পাওয়া যায়নি। আমরা সেই সৎ নেতার আদর্শকে ধারণ করেই আজ প্রথাগত আয়োজন ছেড়ে সরাসরি মোংলার দুঃখী মানুষের ঘরে ঘরে এই উপহার পৌঁছে দিচ্ছি।”
ব্যতিক্রমী মূলক এই কর্মসূচিতে পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির তালুকদার ও গোলাম নুর জনিসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। দলটির স্থানীয় নেতৃবৃন্দের এমন সরাসরি জনসম্পৃক্ত উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মাঝেও বেশ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
আপনার মতামত লিখুন :